কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিক্ষার ধরন বদলে দিতে পারে
খান একাডেমির সালমান খান জানালেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষার ধরন বদলে দিতে পারে বলে জানিয়েছেন ই-লার্নিংয়ের পথিকৃৎ অনলাইনভিত্তিক শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম
খান একাডেমির সালমান খান জানালেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষার ধরন বদলে দিতে পারে বলে জানিয়েছেন ই-লার্নিংয়ের পথিকৃৎ অনলাইনভিত্তিক শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম
ময়মনসিংহের নান্দাইলে বাড়ির সীমানার এক হাত জায়গা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে চলা বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত
প্রতিনিধি গাজীপুর জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, ‘২৪-এর অভ্যুত্থানের পরেও শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। আমাদের শ্রমিক ভাইয়েরা

হজ্বের মতো একটা পবিত্র ইবাদতকেও ব্যবসার বস্তু বানিয়ে ফেলেছিল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার। দাড়ি টুপি পরা নামধারী যেসব হুজুর আওয়ামী লীগের

মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক রোর্ডমার্চ———————————— ইসলাম ধর্ম এবং বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে মুম্বাই অভিমুখে বিশাল পদযাত্রা করেছে অল ইন্ডিয়া

বাংলাদেশের অধিকাংশ মিডিয়া যে পক্ষপাতের দোষে চরমভাবে দুষ্ট, তার চাক্ষুস উদাহরণ হচ্ছে— এরা এখনও শায়খ আহমাদুল্লাহকে ঠিকমতো এপ্রিসিয়েট করতে পারছে

বাংলাদেশের বিজ্ঞান মনস্করা যখন মঙ্গল শোভাযাত্রায় হুতুম পেঁচার মুখোশ পরে বিজ্ঞানের চর্চা করছে, সেই মুহূর্তে আফগানিস্তানের যুবকেরা ড্রোন ও রাডার

ইসরাইলকে শায়েস্তা করতে রকেট, ড্রোন, মিসাইল সহ বিভিন্ন আত্নঘাতী হামলার জন্য হিজবুল্লাহ বেশ আগে থেকেই বিশ্বব্যাপী আলোচিত। এরই ধারাবাহিকতায় এবার
গাজা — এক যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূমি, যেখানে প্রতিদিন সূর্য ওঠে ধ্বংসস্তূপের ওপরে, আর রাত নামে নিষ্পাপ মানুষের রক্তে ভেজা মাটির ওপর।এই
গাজা — এক যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূমি, যেখানে প্রতিদিন সূর্য ওঠে ধ্বংসস্তূপের ওপরে, আর রাত নামে নিষ্পাপ মানুষের রক্তে ভেজা মাটির ওপর।এই
খান একাডেমির সালমান খান জানালেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষার ধরন বদলে দিতে পারে বলে জানিয়েছেন ই-লার্নিংয়ের পথিকৃৎ অনলাইনভিত্তিক শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম খান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সালমান (স্যাল) আমিন খান। তাঁর মতে, এআই শিক্ষকের বিকল্প নয়। তবে সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে এআই শিক্ষার সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে। সম্প্রতি প্রযুক্তিবিষয়ক মার্কিন ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের ডিকোডার পডকাস্টে অংশ নিয়ে এ কথা জানান তিনি। পডকাস্টে শিক্ষাক্ষেত্রে এআইয়ের ঝুঁকি, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সালমান খান জানান, এআইনির্ভর টুল প্রচলিত শিক্ষাপদ্ধতির তুলনায় শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি পূরণে কার্যকর হতে পারে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় মানসম্পন্ন শিক্ষকের অভাব রয়েছে, সেখানে এআই শিক্ষার্থীদের বড় ধরনের সহায়তা করতে পারে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ব্যক্তিগত শিক্ষকের সুবিধা ভোগ করেছে কেবল সচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীরা। এআই সে বৈষম্য দূর করতে পারে। মানসম্পন্ন ব্যক্তিগত শিক্ষকের সহায়তা যদি সবার কাছে পৌঁছানো যায়, তাহলে দীর্ঘদিনের শিক্ষাগত বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে। সালমান খান জানান, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এরই মধ্যে বৃহৎ ভাষা মডেলনির্ভর এআই টিউটর ‘খানমিগো’ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে খান একাডেমি। এটি শিক্ষার্থীদের কাজের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ব্যক্তিগত শিক্ষকের মতো সহায়তা করে। শুধু অসচ্ছল শিক্ষার্থী নয়, সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরাও যেন এ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে, সে জন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সালমান খান বলেন, ‘আমরা এআইকে এমন এক হাতিয়ার হিসেবে দেখি, যা সবাইকে সমানভাবে সুযোগ দেবে। এটি কখনোই বিলাসপণ্য হতে পারে না। করোনা মহামারি ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালেও এআইকে সবকিছুর সমাধান ভাবা উচিত নয়। অনলাইন ভিডিও শিক্ষায় নতুন দিক দেখিয়েছে। এআই সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও শেখার পথ তৈরি করছে।’ সালমান খানের মতে, বিশ্বজুড়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা সহজলভ্য করার বড় সুযোগ তৈরি করছে এআই। উদাহরণ হিসেবে তিনি খান একাডেমির প্ল্যাটফর্ম ‘স্কুলহাউস’–এর কথা উল্লেখ করেন। এটি মূলত পিয়ার টু পিয়ার লার্নিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে শিক্ষার্থীরা একে অপরকে শেখায়। এ প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার্থীরা সহপাঠীদের সহায়তায় শেখার পাশাপাশি এআইয়ের সহায়তাও পাচ্ছে। ভবিষ্যতে স্কুলহাউস মডেল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, যেখানে সরাসরি শ্রেণিকক্ষ ও অনলাইন শিক্ষার সমন্বয়ে বৈষম্য কমানো সম্ভব হবে। এ প্রসঙ্গে সালমান খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেটের কিছু বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এআই ল্যাব চালু হয়েছে। এসব ল্যাবে শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীর প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠ্যক্রম সাজাচ্ছেন। উদ্যোগটি সফল করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। কারণ, শিক্ষকেরা এআইকে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে শিক্ষায় এআই ব্যবহারের শঙ্কাও রয়েছে। অনেক শিক্ষক আশঙ্কা করছেন, এতে তাঁদের দক্ষতা হ্রাস পেতে পারে, মানবিক যোগাযোগ কমে যেতে পারে কিংবা ভালো অবকাঠামোসম্পন্ন ও পিছিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যবধান আরও বেড়ে যেতে পারে। প্রসঙ্গত, সব বয়সের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষার উপকরণ সহজলভ্য করার লক্ষ্য নিয়ে ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে খান একাডেমি। অলাভজনক শিক্ষামূলক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম খান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সালমান খান বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছেন। বর্তমানে বিশ্বের ১৯০টি দেশে ১৫ কোটির বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে খান একাডেমির। ৫০টির বেশি ভাষায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। সূত্র: দ্য ভার্জ
ময়মনসিংহের নান্দাইলে বাড়ির সীমানার এক হাত জায়গা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে চলা বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। আজ শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যক্তির নাম আক্তার হোসেন (৪৫)। তাঁর বাড়ি উপজেলার ভাটি সাভার গ্রামে। এ ঘটনার পর চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভাটি সাভার গ্রামের আবদুল হেলিমের সঙ্গে প্রতিবেশী জসিম উদ্দিনের বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ ছিল। বাড়ির সীমানার এক হাত জায়গা নিয়ে চলা বিরোধে গতকাল বৃহস্পতিবার দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আবদুল হেলিমসহ ৯ জন গুরুতর আহত হন। পরে আজ শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে আবারও দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে আবদুল হেলিমের ভাতিজা আক্তার হোসেনসহ দুই পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন। তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ দুপুরে আক্তার হোসেন মারা যান। আক্তার হোসেনের মৃত্যুর খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জসিম উদ্দিনের বাড়িতে লুটপাট চালান। আক্তার হোসেনের মা হাজেরা খাতুন বলেন, ‘এক হাত জায়গা নিইয়াই গন্ডগোল অনেক দিন ধইরা। এই কারণেই আমার পোলাডারে মাইরাইলছে। আমি বিচার চাই।’ নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার জালাল উদ্দীন মাহমুদ বলেন, জমি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধে সংঘর্ষ হয়। এতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপর চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
প্রতিনিধি গাজীপুর জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, ‘২৪-এর অভ্যুত্থানের পরেও শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। আমাদের শ্রমিক ভাইয়েরা বিভিন্ন শিল্পকারখানায় কাজ করেন, কিন্তু সেখানে এখনো তাঁদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়নি।’ আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের চৌরাস্তা এলাকায় চান্দনা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে এনসিপির গাজীপুর জেলা মহানগর শ্রমিক উইং-এর আয়োজনে শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। পরিবহন, গার্মেন্টস, হকারসহ শ্রমজীবী মানুষের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়ে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের পুরোনো সংবিধান শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। নতুন সংবিধান প্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সংবিধানে শ্রমিকদের অধিকার ও জনগণের অধিকার সুরক্ষিত থাকতে হবে। এনসিপির সদস্যসচিব আরও বলেন, শ্রমিকেরা যে শ্রম দেন, তার ওপরই সরকার চলে, দেশ এগিয়ে যায়। কিন্তু তাঁদের ন্যায্যতা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। শ্রমিকেরা ন্যায্য মজুরি পান না। এখনো তা নিশ্চিত করা না হলে কখন হবে? শ্রমিকেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও অফিস–আদালত ও সরকারি সেবায় বঞ্চিত থেকেছেন সব সময়। তাঁদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির শ্রমিক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী মাজহারুল ইসলাম ফকির। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাসের খান, কেন্দ্রীয় সংগঠক আবদুল্লাহ আল মুহিম, শ্রমিকনেতা আরমান হোসেনসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা ও শ্রমিক উইংয়ের শীর্ষ নেতারা।

হজ্বের মতো একটা পবিত্র ইবাদতকেও ব্যবসার বস্তু বানিয়ে ফেলেছিল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার। দাড়ি টুপি পরা নামধারী যেসব হুজুর আওয়ামী লীগের নির্লজ্জ গোলামী করতো, তাদের গুণগান গাইতো, জনগণের টাকায় শুধুমাত্র তাদেরকেই হজ্বে পাঠাতো আওয়ামী সরকার। হুজুরদের এই দলটি ওলামা লীগ নামে পরিচিত। আজকে লীগ না থাকায় সেই ওলামারা অসহায় হয়ে পড়েছে। চলতি বছর ড. আফম খালিদ হোসেনের ধর্ম মন্ত্রণালয় হজের ক্ষেত্রে যুগান্তকারি সাহসী এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বছরের পর বছর ধরে জনগণের টাকায় দলীয় লোকদের হজ্ব করানোর এই প্রথা চলতি বছর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিশেষত গত কয়েক বছর হজ্বের খরচ অস্বাভাবিক আকারে বেড়ে গিয়েছিল, গত দুই বছর যা জনপ্রতি প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকায় পৌছে গিয়েছিল। এত বিশাল খরচে দলীয় লোকদের হজ্বে পাঠাতে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বিপুল অর্থ ব্যয় হতো। এবার সেই প্রথা বন্ধ করে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আফম খালেদ হোসাইন এবং তার ধর্ম মন্ত্রণালয়। এদিকে এবছর সরকারি খরচে কাউকে হজে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন এ বছর সরকারি খরচে কাউকে হজে না পাঠানো সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই, মাওলানা আজহারীর সেই পোস্টে প্রায় অর্ধ মিলিয়ন লাইকের পাশাপাশি ১৮ হাজারের মতো কমেন্ট পড়েছে, এরা সবাই সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগ একদিকে দেশ ও জনগণের টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করতো, অপরদিকে দলটির প্রধান মাঝে মাঝে মাথায় হিজাব, হাতে তাসবীহ নিয়ে মক্কা শরীফ চক্কর দিতেন। একই সাথে রাষ্ট্রীয় কোষাগার খালি করে দলীয় লোকদের হজে পাঠাতেন। এগুলো সবই ছিল জনগণকে বোকা বানিয়ে নিজেদের অপকর্ম ঢাকার কলাকৌশল। আওয়ামী লীগ নিজেদের সুবিধা আদায়ের জন্য এত দিকে হাত বাড়িয়েছে যে, হজের মত ফরজ একটা এবাদতকেও তারা অপরাজনীতির অংশ বানিয়েছে। কাজেই ূূূদেরকে ধর্মব্যবসায়ী না বলে খোদ আওয়ামী লীগকেই ধর্ম ব্যবসায়ী বলা উচিত। কারণ তারাই ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ বিধান হজকে দলীয় ব্যবসার বস্তুতে পরিণত করেছিল।

মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক রোর্ডমার্চ———————————— ইসলাম ধর্ম এবং বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে মুম্বাই অভিমুখে বিশাল পদযাত্রা করেছে অল ইন্ডিয়া মজলিসে ইত্তেহাদুল মুসলিমিন। মাওলানা আসাদুদ্দিন ওয়াইসির সভাপতিত্বে পরিচালিত এই দলটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, নীতিশ রানে এবং রামগিরি মহারাজ নামে বিজেপির দুই সংসদ সদস্য চরম উগ্রবাদী বক্তব্য দিয়েছেন এবং একপর্যায়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়েও তারা কটুক্তি করেছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে= মুম্বাই অভিমুখে= ঐতিহাসিক এই রোডমার্চের আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে তেরঙ্গা সংবিধান র্যালী নামের এই বিক্ষোভ কর্মসূচির সূচনা হয়েছে ছাত্রপতি সম্ভাজিনগর এলাকা থেকে। এতে অংশ নিতে মহারাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে হাজার হাজার গাড়ি সম্ভাজিনগরে এসে যোগ দেয়। এরপর সমৃদ্ধি এক্সপ্রেস হয়ে রোডমার্চটি মুম্বাইয়ের দিকে এগিয়ে যায়।সামাজিক মাধ্যমে এই রোডমার্চের বিভিন্ন ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দৃষ্টিরসীমার শেষ পর্যন্ত হাজার হাজার গাড়িতে ভারতীয় পতাকা ঝুলিয়ে বিক্ষোভকারীদের এগিয়ে যেতে দেখা যায়।

বাংলাদেশের অধিকাংশ মিডিয়া যে পক্ষপাতের দোষে চরমভাবে দুষ্ট, তার চাক্ষুস উদাহরণ হচ্ছে— এরা এখনও শায়খ আহমাদুল্লাহকে ঠিকমতো এপ্রিসিয়েট করতে পারছে না। এবারের বন্যায় আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি যে মহাকর্মযজ্ঞ পালন করে যাচ্ছেন, তার ছিটেফোঁটাও দেশের মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলোতে নেই। পরিমণি কতবার টয়লেটে গেলেন, অথবা শাহবাগে চারটা ব্যানার নিয়ে পাঁচটা সেক্যুলার দাড়িয়ে কী বললো, সেগুলো নিয়ে মিডিয়াগুলো মুহুর্মুহু লাইভ করতে পারে। কিন্তু আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন যে মাত্র একদিনে ২০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করেছে, তাদের বিকাশ-নগদে দুই ঘণ্টায় যে তিন লক্ষ ট্রানজেকশন হয়েছে– এগুলো চোখে পড়ে না একশ্রেণীর দিনকানা মিডিয়ার। এসব মিডিয়া যখন শাহবাগের তিনজন বামপন্থীর সমাবেশ নিয়ে ব্যস্ত, তখন শায়েখ আহমাদুল্লাহ ট্রাক্টরে চড়ে ফেনীর দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। এই কাজটি যদি তার বদলে কোন অভিনেত্রী কিংবা বাম রাজনীতিবিদ করতো, তাহলে মিডিয়াগুলো ঠিকই হুমড়ি খেয়ে পড়তো। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু সেক্যুলার মিডিয়ার বিমাতাসুলভ আচরণের কোন পরিবর্তন হয়নি। মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার একচোখা নীতির বড় উদাহরণ হচ্ছে গতকাল প্রকাশিত দৈনিক প্রথম আলো। অয়ন চক্রবর্তী নামের একজন হিন্দু বন্যার জন্য পুজোর টাকা দান করেছে, তারা সেটার নিউজ করেছে। কিন্তু দানটা যে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনে করেছে, সেটা ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে গেছে। কারণ একজন হিন্দু আসসুন্নাহর মত ইসলামী প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বাস করে পুজোর টাকা দান করেছে, এই সংবাদ প্রচার করলে প্রথম আলোর জাত চলে যাবে। এর একটাই কারণ, আসসুন্নাহ ইসলামী প্রতিষ্ঠান, শায়খ আহমাদুল্লাহ একজন হুজুর, আর প্রথম আলো এলিট পত্রিকা। হুজুরের নিউজ করলে তাদের জাত চলে যাবে। কিন্তু যেই বিদ্যানন্দ পানির ওপর দাড়িয়ে থাকা অলৌকিক কুকুরকে বিস্কুট খাওয়ায়, যাদের হাত ধরে একই মজিদ চাচা বিভিন্ন রূপে দেখা দেয়, তাদের নিয়ে মিডিয়ার মাতামাতির শেষ নেই। তবে এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, কোন্ মিডিয়া কী করলো না করলো, শায়খ আহমাদুল্লাহদের সেগুলো দেখারও সময় নেই । তারা লাখ লাখ মানুষের কোটি কোটি টাকার ত্রাণ নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লার বিস্তীর্ণ এলাকা। তাছাড়া শায়খ আহমাদুল্লাহ অথবা আস সুন্নাহর ফেসবুক এবং ইউটিউবে এত ভিউ হয়, মূলধারার অনেক মিডিয়া যার ধাারে কাছেও যেতে পারে না। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে মানুষ এখন সামাজিক মাধ্যম থেকেই সঠিক সংবাদ জেনে নেয়। এক্ষেতে জাতীয় চ্যানেলগুলো মানুষের কাছে একেবারেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। সিলেটের বন্যায় আসসুন্নাহর কন্ট্রিবিউশান ছিল ১৭ কোটি টাকারও বেশি। গাছ রোপন করেছেন কয়েক লক্ষ। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চিকিৎসা বাবদ বরাদ্দ করেছেন ১০ কোটি টাকা। এছাড়া করোনা মহামারি, রোহিঙ্গা শরনার্থী, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, স্বাবলম্বী প্রকল্পে পুরুষদের রিকশা-গরু-ছাগল দেয়া, মহিলাদের সেলাই মেশিন দিয়ে সেলাইয়ের প্রশিক্ষণ দেয়া— এভাবে হিসেব করলে আসসুন্নাহর কাজের পরিধি সুবিশাল, সুবিস্তৃত এবং সুপরিকল্পিত আকারে লক্ষ্য করা যায়। চলমান বন্যার প্রথম দুই দিনে তাদের পরিকল্পনা ও কর্মযজ্ঞ থেকে আভাস পাওয়া যাচ্ছে– এবার আসসুন্নাহর ত্রাণ কার্যক্রম অতীতের সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। এরকম একটি বিশ্বস্ত সুপরিকল্পিত প্রতিষ্ঠান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এই দেশবাসীর ওপর বিশাল রহমত, যারা ইতোমধ্যে মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় পৌছে গেছে। কাজেই মিডিয়া নিউজ করলো কী করলো না, তাতে আসসুন্নাহ বা শায়খ আহমাদুল্লাহদের কিছু যায় আসে না।

বাংলাদেশের বিজ্ঞান মনস্করা যখন মঙ্গল শোভাযাত্রায় হুতুম পেঁচার মুখোশ পরে বিজ্ঞানের চর্চা করছে, সেই মুহূর্তে আফগানিস্তানের যুবকেরা ড্রোন ও রাডার তৈরি করে আবারো বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। সম্প্রতি আফগান এক যুবককে চালকবিহীন যুদ্ধবিমান বানিয়ে আকাশে ওড়াতে দেখা গেছে, যা বিশ্বখ্যাত মার্কিন ফাইটার f22 এর মডেল অনুকরণে বানানো হয়েছে। তবে বাজার থেকে খেলনা ড্রোন কিনে কোনমতে সেটাকে জোড়াতালি দিয়ে আকাশে ওড়ানো হচ্ছে— বিষয়টি মোটেই এমন নয়। কারণ এটি কোন ড্রোনই নয়, বরং বিমান অথবা যুদ্ধবিমান আকাশে উড্ডয়ন, অবতরণ এবং ডানে বামে ঘোরার ক্ষেত্রে ডানার পিছনের অংশকে যেভাবে উঁচু-নিচু করা হয়, মেধাবী আফগান যুবক তার এই বিমানেও সেই প্রযুক্তি প্রয়োগ করেছেন। এখানে খুব মুন্সিয়ানার সাথে তিনি পাখার পেছনে সূক্ষ্ম গাণিতিক হিসাব প্রয়োগ করে সফলভাবে তার বিমানকে আকাশে উড়াতে এবং নিরাপদে পুনরায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। মোটর এবং পাখা উপযুক্ত জায়গায় তিনি নিজেই স্থাপন করেছেন। কাজেই খেলনা ড্রোন কিনে জোড়াতালি দিয়ে উড়ানো হয়েছে, এমন অভিযোগ তোলার সুযোগ নেই। আফগানিস্তানের বিজ্ঞান চর্চার আরেকটি নিদর্শন হলোঃ সম্প্রতি কাবুলের প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে এক মেধাবী তরুণ তার নিজের তৈরি ও সংযোজিত রাডার ও সেন্সর প্রদর্শন করেছেন। এর সামনে কোন ধাতব বস্তু এমনকি মানুষ চলে আসলেও রাডার তাকে শনাক্ত করে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সিগন্যাল দিতে পারে। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রাডার ও সেন্সর কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা বলাই বাহুল্য। এদিকে কাবুলের সাবাওয়ান মোমান্দ নামের এক যুবক ছোট্ট একটি ট্যাংক তৈরি করেছেন। দূর নিয়ন্ত্রিত রিমোটের মাধ্যমে ছোট্ট এই ট্যাংক শত্রু এরিয়ার মধ্যে ঢুকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে গোলাবর্ষণ করতে পারে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ট্র্যাংকটি চেইন সিস্টেমের চাকার মাধ্যমে উঁচু-নিচু পথের প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানছে। এছাড়া গাড়ি, সাজোয়া যান এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্যের মূল মেশিনারিজের ওপর আফগানরা বিশেষভাবে নজর দিয়েছে। কারণ বাইরের বডি-শেপ ওয়ার্কশপে জোড়াতালি দিয়ে অনেকেই বানাতে পারলেও আসল চালিকাশক্তি হচ্ছে ভেতরের মেশিনারিজ। এবং কোন প্রযুক্তি পণ্য আবিষ্কার বা মেরামতে এই মেশিনারিজ হচ্ছে আসল চ্যালেঞ্জ, যেটাকে আফগানরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে। একারণেই আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে তাদের উদ্ভাবিত মেশিনারিজকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপন করা হয়। শুধু সামরিক যন্ত্রপাতি নয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ফার্মিং এবং সবুজায়নেও বিজ্ঞানভিত্তিক নানা উদ্ভাবন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে আফগান যুবকেরা। বর্তমানে দেশটির শহর থেকে গ্রামে, নগর থেকে বন্দরে, ঘরে ঘরে প্রযুক্তি চর্চার ঢেউ শুরু হয়েছে। মেধাবী আফগান যুবকেরা মন দিয়ে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে চেষ্টা করছে এবং ইমারত সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত তথ্য বিনিময় এবং প্রশিক্ষণের জন্য তুরস্কের সাথে চুক্তি সম্পাদনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। প্রযুক্তি চর্চায় আফগানরা কত ভালোভাবে আত্মনিয়োগ করেছে তার প্রমাণ পাওয়া যায় আমেরিকার ফেলে যাওয়া হেলিকপ্টারগুলো সংস্কারের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে ৭০০ কোটি টাকা দিয়ে ডেমু ট্রেন এনে সেগুলো মেরামতে অসহায় হয়ে পড়েছে। অথচ আমেরিকান সৈন্যরা তাদের অত্যাধুনিক ও জটিল টেকনোলজির যুদ্ধযান ও হেলিকপ্টারগুলো নষ্ট করে ফেলে গেলেও আফগানরা ঠিকই সেগুলো সংস্কার ও মেরামত করে পুনরায় আকাশে ওড়াচ্ছে। সদ্য স্বাধীন হওয়া এই দেশটি প্রযুক্তিতে ক্রিয়েটিভিটি ও উদ্ভাবনি যোগ্যতা দেখাচ্ছে, অপরদিকে বাংলাদেশের বিজ্ঞান-মনস্করা স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসেও হুতুম প্যাঁচার মুখোশ দিয়ে মঙ্গল কামনার বিজ্ঞান চর্চা করছে। বিশ্লেষেকরা বলছেন, বর্তমানে আফগানিস্তানে প্রযুক্তির চর্চা ও উদ্ভাবনের যেই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাতে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন আফগানিস্তান আধুনিক প্রযুক্তি ও সমরাস্ত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিবে।

ইসরাইলকে শায়েস্তা করতে রকেট, ড্রোন, মিসাইল সহ বিভিন্ন আত্নঘাতী হামলার জন্য হিজবুল্লাহ বেশ আগে থেকেই বিশ্বব্যাপী আলোচিত। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ইসরায়েলের ৫০ থেকে ৮০ হাজার সেনাকে লেবানন সীমান্তে ২০ দিন ধরে আটকে রেখে তাদের মোক্ষম জবাব দিতে হিজবুল্লাহ স্বরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপন করতে যাচ্ছে।হিজবুল্লাহর এক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, কাদের ২ নামের ৩২০০ কেজি ওজনের এই ব্যালিস্টিক মিসাইলটি প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বর্ধিত পরিসীমায় এবং পাঁচ মিটারের মধ্যে নির্ভুল লক্ষ্যবস্তু, ঘনবসতিপূর্ণ শহর এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সহ ইসরায়েলি ভূখণ্ডের গভীরে আঘাত হানতে পারবে।তবে এই ব্যালিস্টিক মিসাইলকে বিশেষভাবে উদ্বেগজনক করে তুলেছে এর উৎক্ষেপন পদ্ধতি। এটি ভূগর্ভস্থ সাইলোস থেকে নিক্ষেপ করা হবে, ফলে মিসাইলটি কখন কোন জায়গা থেকে , কোথায় নিক্ষেপ করা হবে তা ইসরায়েলের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগে থেকেই শনাক্ত করতে পারবে না, যার কারেণে এটি আয়রন ডোম সহ সব প্রতিরক্ষাকে বোকা বানিয়ে খুব সহজেই তার লক্ষ বস্তুকে মুহুর্তের মধ্যে ধুলোয় মিশিয়ে দিবে।উল্লেখ্য, ইসরাইলের মুহুর মুহুর আক্রমণ ও প্রায় ডজন খানেক হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতাকে হত্যার পরেও তারা যেভাবে দিন দিন নিত্যনতুন ড্রোন, মিসাইলসহ অত্যাধুনিক ক্ষেপনাস্ত্র আবিস্কার করে ইসরাইলের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে, তাতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সেদিন আর বেশি দূরে নয় যেদিন হিজবুল্লাহ এর থাবায় ইসরাইলের ইহুদিবাদি সাম্রাজ্য বিশ্বমানচিত্র থেকে মুছে যাবে।বিশেষভাবে উদ্বেগজনক করে তুলেছে মোতায়েনের পদ্ধতি। কাদের-২ ক্ষেপণাস্ত্র ভূগর্ভস্থ সাইলোস থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যা হিজবুল্লাহর গোপন ও শক্ত উৎক্ষেপণ সাইটের উপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা প্রদর্শন করে। এই কৌশলটি এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও আটকানোর প্রচেষ্টাকে জটিল করে তোলে, ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে উৎক্ষেপণের আগে নিরপেক্ষ করা আরও কঠিন করে তোলে। ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সাইটগুলির ব্যবহার হিজবুল্লাহর আক্রমণের ক্ষমতাকে বোঝায় এবং পাল্টা হামলার এক্সপোজার কমিয়ে দেয়। হিজবুল্লাহ বুধবার তার টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা ভিডিওগুলিতে দুটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র, কাদের 2 এবং নাসর 1 উন্মোচন করেছে, এটি সাম্প্রতিক ধাক্কাগুলির একটি সিরিজ সহ্য করার পরেও তার সামরিক সক্ষমতায় একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি চিহ্নিত করেছে।এক ঘন্টা আগে, হিজবুল্লাহ কাদের 2 ক্ষেপণাস্ত্রের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য এবং প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলির বিবরণ দিয়ে একটি প্রাথমিক ভিডিও প্রকাশ করেছিল। কাদের 2কে “ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে যা ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।” এটি “5 মিটার পর্যন্ত নির্ভুলতার সাথে অত্যাবশ্যক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার” উদ্দেশ্যে এবং এটির “উচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা” এর জন্য উল্লেখ করা হয়েছে। কাদের 2 মিসাইলটির ব্যাস 620 মিমি, দৈর্ঘ্য 8.6 মিটার এবং ওজন 3,200 কেজি। এর ওয়ারহেডের ওজন 405 কেজি, এবং এর পরিসীমা 250 কিমি।হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে বর্তমান পরিস্থিতি তীব্র হয়েছে, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি ভূখণ্ডে তার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে, জঙ্গি গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলি এবং সামরিক স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্য করে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যারেজ চালু করেছে। এই আক্রমণগুলি ফ্রিকোয়েন্সি এবং তীব্রতা উভয় ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি পেয়েছে, হিজবুল্লাহ আরও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র যেমন কাদের-2 এবং নাসর 1 মোতায়েন করেছে। ভূগর্ভস্থ উৎক্ষেপণ সাইটগুলির ব্যবহার এই হামলাগুলি সনাক্ত করা এবং বাধা দেওয়া কঠিন করে তুলেছে, ইসরায়েলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করে।এক ঘন্টা আগে, হিজবুল্লাহ কাদের 2 ক্ষেপণাস্ত্রের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য এবং প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলির বিবরণ দিয়ে একটি প্রাথমিক ভিডিও প্রকাশ করেছিল। কাদের 2কে “ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে যা ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।” এটি “5 মিটার পর্যন্ত নির্ভুলতার সাথে অত্যাবশ্যক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার” উদ্দেশ্যে এবং এটির “উচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা” এর জন্য উল্লেখ করা হয়েছে। কাদের 2 মিসাইলটির ব্যাস 620 মিমি, দৈর্ঘ্য 8.6 মিটার এবং ওজন 3,200 কেজি। এর ওয়ারহেডের ওজন 405 কেজি, এবং এর পরিসীমা 250 কিমি।এই আক্রমণটিকে বিশেষভাবে উদ্বেগজনক করে তুলেছে মোতায়েনের পদ্ধতি। কাদের-২ ক্ষেপণাস্ত্র ভূগর্ভস্থ সাইলোস থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যা হিজবুল্লাহর গোপন ও শক্ত উৎক্ষেপণ সাইটের উপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা প্রদর্শন করে। এই কৌশলটি এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও আটকানোর প্রচেষ্টাকে জটিল করে তোলে, ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে উৎক্ষেপণের আগে নিরপেক্ষ করা আরও কঠিন করে তোলে। ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সাইটগুলির ব্যবহার হিজবুল্লাহর আক্রমণের ক্ষমতাকে বোঝায় এবং পাল্টা হামলার এক্সপোজার কমিয়ে দেয়।কাদের-২ ক্ষেপণাস্ত্র হিজবুল্লাহর সামরিক প্রযুক্তিতে একটি উল্লেখযোগ্য উল্লম্ফন প্রতিনিধিত্ব করে, যা গ্রুপের নির্দিষ্ট অপারেশনাল প্রয়োজন মেটাতে উন্নত করা হয়েছে। একটি বর্ধিত পরিসীমা, নির্ভুলতা এবং ধ্বংসাত্মক শক্তির সাথে, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি হিজবুল্লাহকে ভারী সুরক্ষিত এলাকা সহ ইসরায়েলি ভূখণ্ডে আরও সুনির্দিষ্ট আক্রমণ চালাতে সক্ষম করে।হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে ইসরায়েলের জন্য প্রধান হুমকি হল উন্নত প্রযুক্তি এবং গোষ্ঠীটি নিয়োজিত কৌশলগুলির মধ্যে। কাদের-২-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র, 300 কিলোমিটার পর্যন্ত বর্ধিত পরিসীমা এবং পাঁচ মিটারের মধ্যে নির্ভুল লক্ষ্যবস্তু, ঘনবসতিপূর্ণ শহর এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সহ ইসরায়েলি ভূখণ্ডের গভীরে আঘাত হানতে পারে। হিজবুল্লাহর এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য ভূগর্ভস্থ সাইলোর ব্যবহার শনাক্তকরণ এবং প্রি-এমপটিভ স্ট্রাইককে কঠিন করে তোলে, ইসরায়েলের উৎক্ষেপণের আগে হুমকি নিরপেক্ষ করার ক্ষমতা হ্রাস করে। ইসরায়েলের অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও, যেমন আয়রন ডোম এবং ডেভিড’স স্লিং, হিজবুল্লাহর উৎক্ষেপণ স্থানগুলিকে গোপন করার ক্ষমতার সাথে মিলিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যারেজগুলির নিখুঁত পরিমাণ এই প্রতিরক্ষাগুলিকে চাপ দেয়, সফল হামলার সম্ভাবনা বাড়ায় এবং ইস্রায়েলের সামরিক প্রতিক্রিয়াকে আরও জটিল করে তোলে।
গাজা — এক যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূমি, যেখানে প্রতিদিন সূর্য ওঠে ধ্বংসস্তূপের ওপরে, আর রাত নামে নিষ্পাপ মানুষের রক্তে ভেজা মাটির ওপর।এই ভূমিতে শিশুর কান্না, বিধবার আহাজারি আর বাবার মৃতদেহ খুঁজে বেড়ানো সন্তানের দৃষ্টিই আজ সবচেয়ে নির্মম সত্য।বিশ্ব যখন নীরব, তখন গাজাবাসী একা দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ গণধ্বংসের মুখোমুখি।এখন আর শুধু বোমা নয়, অর্থ লোভে তাড়িত হয়ে বুলডোজার চালাচ্ছে বেসামরিক ঠিকাদারেরা।গাজাবাসীর ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে এখন কেউ কেউ আয় করছে লাখ লাখ টাকা।ইসরায়েলি সেনারা এখন শুধু নিজেরাই নয়, বেসরকারি ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।‘দ্য মার্কার’ নামক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এসব ঠিকাদাররা মাসে প্রায় ৯ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করছেন—যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১১ লাখ।এই টাকার জন্যই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভারী যন্ত্রচালকেরা প্রতিদিন ভেঙে ফেলছেন একটি করে বাড়ি—দুইতলা, তিনতলা, পাঁচতলা—যত উঁচু, আয় তত বেশি।একজন যন্ত্রচালক সাংবাদিকদের বলেছেন,“শুরুতে টাকার জন্য করতাম, পরে প্রতিশোধ নিতে শুরু করি। সেনারা শুধু ধ্বংস করতে চায়। ওদের কোনো পরিকল্পনা নেই।”আরও ভয়ঙ্কর হলো, কিছু ঠিকাদার নিজেদের ‘শেরিফ’ মনে করে যা ইচ্ছা তাই করছে গাজায়। তাদের নিরাপত্তা দেয় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরা যখন খাবারের খোঁজে আসে, তখন তাদের ‘ঝুঁকি’ বলে গুলি চালানো হয়।ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে এক বাড়তি অর্থ আয়ের আশায় হত্যা করা হয় ত্রাণ নিতে আসা সাধারণ মানুষদের।এমনই এক হামলায় সম্প্রতি নিহত হন ইসরায়েলি সেনা আব্রাহাম আজুলায়, যিনি নিজেই ছিলেন একজন যন্ত্রচালক।তাকে গর্বের সঙ্গে স্মরণ করেন রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টির এক সংসদ সদস্য—যিনি বলেন, “আজুলায় বহু বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন—তিনি জানতেন হয়তো আর ফিরে যাবেন না।”এ যেন এক নৃশংস বিজয়ের অহঙ্কার!ঘরবাড়ি ধ্বংস এখন শুধুই একটি লাভজনক চুক্তি—যেখানে ইহুদিবাদীরা ঘর গুঁড়িয়ে টাকা কামায়, আর মুসলমানরা হারায় সব।গাজার উপর এমন বর্বরতা আর হত্যাযজ্ঞের মাঝেও বিশ্ব মানবতা আজ চুপচাপ।কোথাও নেই কোনো জাতিসংঘের তড়িৎ পদক্ষেপ, নেই মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠ।এ যেন চোখের সামনে মানবতাকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেললেও কেউ দেখছে না!আর না! এখনই জাগতে হবে—নইলে ইতিহাস রক্ত দিয়ে আমাদের নাম লিখে রাখবে কাপুরুষদের কাতারে।
গাজা — এক যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূমি, যেখানে প্রতিদিন সূর্য ওঠে ধ্বংসস্তূপের ওপরে, আর রাত নামে নিষ্পাপ মানুষের রক্তে ভেজা মাটির ওপর।এই ভূমিতে শিশুর কান্না, বিধবার আহাজারি আর বাবার মৃতদেহ খুঁজে বেড়ানো সন্তানের দৃষ্টিই আজ সবচেয়ে নির্মম সত্য।বিশ্ব যখন নীরব, তখন গাজাবাসী একা দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ গণধ্বংসের মুখোমুখি।এখন আর শুধু বোমা নয়, অর্থ লোভে তাড়িত হয়ে বুলডোজার চালাচ্ছে বেসামরিক ঠিকাদারেরা।গাজাবাসীর ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে এখন কেউ কেউ আয় করছে লাখ লাখ টাকা।ইসরায়েলি সেনারা এখন শুধু নিজেরাই নয়, বেসরকারি ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।‘দ্য মার্কার’ নামক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এসব ঠিকাদাররা মাসে প্রায় ৯ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করছেন—যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১১ লাখ।এই টাকার জন্যই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভারী যন্ত্রচালকেরা প্রতিদিন ভেঙে ফেলছেন একটি করে বাড়ি—দুইতলা, তিনতলা, পাঁচতলা—যত উঁচু, আয় তত বেশি।একজন যন্ত্রচালক সাংবাদিকদের বলেছেন,“শুরুতে টাকার জন্য করতাম, পরে প্রতিশোধ নিতে শুরু করি। সেনারা শুধু ধ্বংস করতে চায়। ওদের কোনো পরিকল্পনা নেই।”আরও ভয়ঙ্কর হলো, কিছু ঠিকাদার নিজেদের ‘শেরিফ’ মনে করে যা ইচ্ছা তাই করছে গাজায়। তাদের নিরাপত্তা দেয় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরা যখন খাবারের খোঁজে আসে, তখন তাদের ‘ঝুঁকি’ বলে গুলি চালানো হয়।ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে এক বাড়তি অর্থ আয়ের আশায় হত্যা করা হয় ত্রাণ নিতে আসা সাধারণ মানুষদের।এমনই এক হামলায় সম্প্রতি নিহত হন ইসরায়েলি সেনা আব্রাহাম আজুলায়, যিনি নিজেই ছিলেন একজন যন্ত্রচালক।তাকে গর্বের সঙ্গে স্মরণ করেন রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টির এক সংসদ সদস্য—যিনি বলেন, “আজুলায় বহু বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন—তিনি জানতেন হয়তো আর ফিরে যাবেন না।”এ যেন এক নৃশংস বিজয়ের অহঙ্কার!ঘরবাড়ি ধ্বংস এখন শুধুই একটি লাভজনক চুক্তি—যেখানে ইহুদিবাদীরা ঘর গুঁড়িয়ে টাকা কামায়, আর মুসলমানরা হারায় সব।গাজার উপর এমন বর্বরতা আর হত্যাযজ্ঞের মাঝেও বিশ্ব মানবতা আজ চুপচাপ।কোথাও নেই কোনো জাতিসংঘের তড়িৎ পদক্ষেপ, নেই মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠ।এ যেন চোখের সামনে মানবতাকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেললেও কেউ দেখছে না!আর না! এখনই জাগতে হবে—নইলে ইতিহাস রক্ত দিয়ে আমাদের নাম লিখে রাখবে কাপুরুষদের কাতারে।
লেভেল-০১, দোকান নং:০৯, গোল্ডেন শাওয়ার, মাজার রোড, মিরপুর-০১, ঢাকা-১২১৬
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: ই-মেইল:
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: মোবাইল
Development By CrebiTel Technology Ltd.