ইসরায়েলি হামলা: মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন তারেক রহমান
গাজায় গণহত্যার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেনের মতো দেশে একের পর এক বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্য ও
গাজায় গণহত্যার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেনের মতো দেশে একের পর এক বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্য ও
নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধে সরকারের ব্যর্থ চেষ্টা রূপ নিয়েছে গণআন্দোলনে। এখন পর্যন্ত চলা এই আন্দোলনে নিহত হয়েছেন ৫১জন। এছাড়াও কারাগার
আপাতত বন্ধ রয়েছে জাকসু নির্বাচনের ভোট গণনা কার্যক্রম। ওএমআর নাকি ম্যানুয়াল, কোন পদ্ধতিতে ভোট গণনা হবে তা নিয়ে চলছে রির্টানিং
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে জনবল বাড়িয়ে ভোট গ্রহণ শেষে আজকের মধ্যেই ফল ঘোষণা করা
গাজায় গণহত্যার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেনের মতো দেশে একের পর এক বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ফেসবুক ও এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারেক রহমান লিখেছেন, সহিংস ঔপনিবেশিক দমন-পীড়ন ও অস্তিত্ব মুছে ফেলার বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশিরা সবসময়ই ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে এবং গর্বের সঙ্গে তা অব্যাহত রেখেছে। সাম্প্রতিক খবর অনুযায়ী দখল করা পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা, যা ভবিষ্যতে কোনও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে কার্যত অসম্ভব করে তুলবে, তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনি জনগণ, তাদের সংস্কৃতি, ভূমি ও ইতিহাসের ওপর চলমান বর্ণবৈষম্য ও হামলা নিছক গণহত্যা নয়। বরং ফিলিস্তিনিদের পরিকল্পিত জাতিগত নিধন, এটি ঘৃণ্য। তিনি আরও লিখেছেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাস ও কাজ করেন অনেক বাংলাদেশি। ইসরায়েলি সরকার পুরো অঞ্চলটিকে এক গভীর সংকটে ঠেলে দিচ্ছে দেখে আমি তাদের এবং তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। গাজা গণহত্যার বিচার ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক আদালতের প্রতি আহ্বানও করেছেন তারেক রহমান। ইসরায়েল সরকারের বসতি স্থাপনের পরিকল্পনায় নিন্দা ও চাপ সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধে সরকারের ব্যর্থ চেষ্টা রূপ নিয়েছে গণআন্দোলনে। এখন পর্যন্ত চলা এই আন্দোলনে নিহত হয়েছেন ৫১জন। এছাড়াও কারাগার থেকে পলাতক ১২ হাজার ৫শ’ কয়েদির এখন পর্যন্ত কোন খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) পুলিশ মুখপাত্র বিনোদ ঘিমিরে জানান, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ২১ জন বিক্ষোভকারী, ৯ জন কয়েদি, ৩ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ১৮ জন অন্যান্য ব্যক্তি। আরও প্রায় ১,৩০০ জন আহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছিলেন। এই ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়, যখন দেশজুড়ে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল এবং সেনাপ্রধান আশোক রাজ সিগদেল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকির এবং এক তরুণ নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। ঘিমিরে আরও বলেন, ‘দেশব্যাপী বিভিন্ন কারাগার থেকে প্রায় ১৩,৫০০ বন্দি পালিয়ে যায় — এদের মধ্যে কিছু আবার ধরা পড়েছে, তবে এখনও ১২,৫৩৩ জন পলাতক রয়েছে। নিহত বন্দিদের মধ্যে অনেকে পালানোর সময় বা পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন। এছাড়া, অনেক পলাতক বন্দি ভারত সীমান্ত পাড়ি দেয়ার চেষ্টা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছুজনকে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী আটক করেছে। নেপালের সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে কারফিউ জারি করেছে এবং জানায় যে অস্থিরতার মধ্যে লুট হয়ে যাওয়া ১০০টির বেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ স্বয়ংক্রিয় রাইফেলও বহন করছিলেন বলে দেখা গেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে সুশীলা কারকিকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ, যিনি প্রেসিডেন্ট পৌডেল ও সেনাপ্রধান সিগদেলের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন, বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ‘সুশীলা কারকিকে আজই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে। জেনারেশন জেন-জি বিক্ষোভকারীরা তাকে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রস্তাব করেছে।’ সূত্র: আল জাজিরা।
আপাতত বন্ধ রয়েছে জাকসু নির্বাচনের ভোট গণনা কার্যক্রম। ওএমআর নাকি ম্যানুয়াল, কোন পদ্ধতিতে ভোট গণনা হবে তা নিয়ে চলছে রির্টানিং কর্মকর্তাদের জরুরি সভা। জরুরি এ সভা শেষে জানানো হবে সিদ্ধান্ত। ওএমআর পদ্ধতিতে গোনা না হলে, বাকি ৩টি হলের গণনা বন্ধ থাকবে। ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছে শিক্ষার্থী এবং পদপ্রার্থীরাও। এর আগে, গতকাল সকাল ৯ টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওএমআর পদ্ধতিতে গণনার কথা থাকলেও ছাত্রদলসহ কয়েকটি প্যানেলের আপত্তিতে তা ম্যানুয়ালি করা হয়। এ কারণে নির্বাচনের প্রায় ২০ ঘণ্টা বেরিয়ে গেলেও হল সংসদের ভোট গণনা শেষ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে জনবল বাড়িয়ে ভোট গ্রহণ শেষে আজকের মধ্যেই ফল ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে ম্যানুয়ালি পদ্ধতিতেই (হাতে ভোট গণনা) চলবে গণনার বাকি কার্যক্রম। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনার ও উপাচার্যের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনিরুজ্জামান। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন হচ্ছে, সকলের অক্লান্ত পরিশ্রম ইতিহাস হয়ে থাকবে। যারা নির্বাচন থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেছেন, তাদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এদিকে, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ নিয়ে শিক্ষার্থী ও পদপ্রার্থীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোট গণনা শেষ হয়নি। ১৮ ঘণ্টায় জাকসুর হল সংসদের ১৮টি হলের ফল গণনা শেষ করতে সক্ষম হয় প্রশাসন। তবে এখন বাকি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের গণনা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিকেলে নির্বাচন কমিশনের কাছে এক রিটার্নিং কর্মকর্তা মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনার দাবি করেন। এর আগে, বিকেলে জাকসু নির্বাচনের ভোট গণনা কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ওএমআর নাকি ম্যানুয়াল, কোন পদ্ধতিতে ভোট গণনা হবে তা নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওএমআর পদ্ধতিতে গণনার কথা থাকলেও ছাত্রদলসহ কয়েকটি প্যানেলের আপত্তিতে তা ম্যানুয়ালি করা হয়। এ কারণে নির্বাচনের প্রায় ২০ ঘণ্টা পার হলেও হল সংসদের ভোট গণনা শেষ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।
লেভেল-০১, দোকান নং:০৯, গোল্ডেন শাওয়ার, মাজার রোড, মিরপুর-০১, ঢাকা-১২১৬
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: ই-মেইল:
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: মোবাইল
Development By CrebiTel Technology Ltd.