
জনগণের টাকায় দলীয় লোকদের হজ্ব বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে
হজ্বের মতো একটা পবিত্র ইবাদতকেও ব্যবসার বস্তু বানিয়ে ফেলেছিল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার। দাড়ি টুপি পরা নামধারী যেসব হুজুর আওয়ামী লীগের

হজ্বের মতো একটা পবিত্র ইবাদতকেও ব্যবসার বস্তু বানিয়ে ফেলেছিল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার। দাড়ি টুপি পরা নামধারী যেসব হুজুর আওয়ামী লীগের

বাংলাদেশের বিজ্ঞান মনস্করা যখন মঙ্গল শোভাযাত্রায় হুতুম পেঁচার মুখোশ পরে বিজ্ঞানের চর্চা করছে, সেই মুহূর্তে আফগানিস্তানের যুবকেরা ড্রোন ও রাডার
নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধে সরকারের ব্যর্থ চেষ্টা রূপ নিয়েছে গণআন্দোলনে। এখন পর্যন্ত চলা এই আন্দোলনে নিহত হয়েছেন ৫১জন। এছাড়াও কারাগার
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে জনবল বাড়িয়ে ভোট গ্রহণ শেষে আজকের মধ্যেই ফল ঘোষণা করা

হজ্বের মতো একটা পবিত্র ইবাদতকেও ব্যবসার বস্তু বানিয়ে ফেলেছিল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার। দাড়ি টুপি পরা নামধারী যেসব হুজুর আওয়ামী লীগের নির্লজ্জ গোলামী করতো, তাদের গুণগান গাইতো, জনগণের টাকায় শুধুমাত্র তাদেরকেই হজ্বে পাঠাতো আওয়ামী সরকার। হুজুরদের এই দলটি ওলামা লীগ নামে পরিচিত। আজকে লীগ না থাকায় সেই ওলামারা অসহায় হয়ে পড়েছে। চলতি বছর ড. আফম খালিদ হোসেনের ধর্ম মন্ত্রণালয় হজের ক্ষেত্রে যুগান্তকারি সাহসী এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বছরের পর বছর ধরে জনগণের টাকায় দলীয় লোকদের হজ্ব করানোর এই প্রথা চলতি বছর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিশেষত গত কয়েক বছর হজ্বের খরচ অস্বাভাবিক আকারে বেড়ে গিয়েছিল, গত দুই বছর যা জনপ্রতি প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকায় পৌছে গিয়েছিল। এত বিশাল খরচে দলীয় লোকদের হজ্বে পাঠাতে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বিপুল অর্থ ব্যয় হতো। এবার সেই প্রথা বন্ধ করে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আফম খালেদ হোসাইন এবং তার ধর্ম মন্ত্রণালয়। এদিকে এবছর সরকারি খরচে কাউকে হজে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন এ বছর সরকারি খরচে কাউকে হজে না পাঠানো সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই, মাওলানা আজহারীর সেই পোস্টে প্রায় অর্ধ মিলিয়ন লাইকের পাশাপাশি ১৮ হাজারের মতো কমেন্ট পড়েছে, এরা সবাই সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগ একদিকে দেশ ও জনগণের টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করতো, অপরদিকে দলটির প্রধান মাঝে মাঝে মাথায় হিজাব, হাতে তাসবীহ নিয়ে মক্কা শরীফ চক্কর দিতেন। একই সাথে রাষ্ট্রীয় কোষাগার খালি করে দলীয় লোকদের হজে পাঠাতেন। এগুলো সবই ছিল জনগণকে বোকা বানিয়ে নিজেদের অপকর্ম ঢাকার কলাকৌশল। আওয়ামী লীগ নিজেদের সুবিধা আদায়ের জন্য এত দিকে হাত বাড়িয়েছে যে, হজের মত ফরজ একটা এবাদতকেও তারা অপরাজনীতির অংশ বানিয়েছে। কাজেই ূূূদেরকে ধর্মব্যবসায়ী না বলে খোদ আওয়ামী লীগকেই ধর্ম ব্যবসায়ী বলা উচিত। কারণ তারাই ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ বিধান হজকে দলীয় ব্যবসার বস্তুতে পরিণত করেছিল।

বাংলাদেশের বিজ্ঞান মনস্করা যখন মঙ্গল শোভাযাত্রায় হুতুম পেঁচার মুখোশ পরে বিজ্ঞানের চর্চা করছে, সেই মুহূর্তে আফগানিস্তানের যুবকেরা ড্রোন ও রাডার তৈরি করে আবারো বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। সম্প্রতি আফগান এক যুবককে চালকবিহীন যুদ্ধবিমান বানিয়ে আকাশে ওড়াতে দেখা গেছে, যা বিশ্বখ্যাত মার্কিন ফাইটার f22 এর মডেল অনুকরণে বানানো হয়েছে। তবে বাজার থেকে খেলনা ড্রোন কিনে কোনমতে সেটাকে জোড়াতালি দিয়ে আকাশে ওড়ানো হচ্ছে— বিষয়টি মোটেই এমন নয়। কারণ এটি কোন ড্রোনই নয়, বরং বিমান অথবা যুদ্ধবিমান আকাশে উড্ডয়ন, অবতরণ এবং ডানে বামে ঘোরার ক্ষেত্রে ডানার পিছনের অংশকে যেভাবে উঁচু-নিচু করা হয়, মেধাবী আফগান যুবক তার এই বিমানেও সেই প্রযুক্তি প্রয়োগ করেছেন। এখানে খুব মুন্সিয়ানার সাথে তিনি পাখার পেছনে সূক্ষ্ম গাণিতিক হিসাব প্রয়োগ করে সফলভাবে তার বিমানকে আকাশে উড়াতে এবং নিরাপদে পুনরায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। মোটর এবং পাখা উপযুক্ত জায়গায় তিনি নিজেই স্থাপন করেছেন। কাজেই খেলনা ড্রোন কিনে জোড়াতালি দিয়ে উড়ানো হয়েছে, এমন অভিযোগ তোলার সুযোগ নেই। আফগানিস্তানের বিজ্ঞান চর্চার আরেকটি নিদর্শন হলোঃ সম্প্রতি কাবুলের প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে এক মেধাবী তরুণ তার নিজের তৈরি ও সংযোজিত রাডার ও সেন্সর প্রদর্শন করেছেন। এর সামনে কোন ধাতব বস্তু এমনকি মানুষ চলে আসলেও রাডার তাকে শনাক্ত করে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সিগন্যাল দিতে পারে। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রাডার ও সেন্সর কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা বলাই বাহুল্য। এদিকে কাবুলের সাবাওয়ান মোমান্দ নামের এক যুবক ছোট্ট একটি ট্যাংক তৈরি করেছেন। দূর নিয়ন্ত্রিত রিমোটের মাধ্যমে ছোট্ট এই ট্যাংক শত্রু এরিয়ার মধ্যে ঢুকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে গোলাবর্ষণ করতে পারে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ট্র্যাংকটি চেইন সিস্টেমের চাকার মাধ্যমে উঁচু-নিচু পথের প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানছে। এছাড়া গাড়ি, সাজোয়া যান এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্যের মূল মেশিনারিজের ওপর আফগানরা বিশেষভাবে নজর দিয়েছে। কারণ বাইরের বডি-শেপ ওয়ার্কশপে জোড়াতালি দিয়ে অনেকেই বানাতে পারলেও আসল চালিকাশক্তি হচ্ছে ভেতরের মেশিনারিজ। এবং কোন প্রযুক্তি পণ্য আবিষ্কার বা মেরামতে এই মেশিনারিজ হচ্ছে আসল চ্যালেঞ্জ, যেটাকে আফগানরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে। একারণেই আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে তাদের উদ্ভাবিত মেশিনারিজকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপন করা হয়। শুধু সামরিক যন্ত্রপাতি নয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ফার্মিং এবং সবুজায়নেও বিজ্ঞানভিত্তিক নানা উদ্ভাবন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে আফগান যুবকেরা। বর্তমানে দেশটির শহর থেকে গ্রামে, নগর থেকে বন্দরে, ঘরে ঘরে প্রযুক্তি চর্চার ঢেউ শুরু হয়েছে। মেধাবী আফগান যুবকেরা মন দিয়ে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে চেষ্টা করছে এবং ইমারত সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত তথ্য বিনিময় এবং প্রশিক্ষণের জন্য তুরস্কের সাথে চুক্তি সম্পাদনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। প্রযুক্তি চর্চায় আফগানরা কত ভালোভাবে আত্মনিয়োগ করেছে তার প্রমাণ পাওয়া যায় আমেরিকার ফেলে যাওয়া হেলিকপ্টারগুলো সংস্কারের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে ৭০০ কোটি টাকা দিয়ে ডেমু ট্রেন এনে সেগুলো মেরামতে অসহায় হয়ে পড়েছে। অথচ আমেরিকান সৈন্যরা তাদের অত্যাধুনিক ও জটিল টেকনোলজির যুদ্ধযান ও হেলিকপ্টারগুলো নষ্ট করে ফেলে গেলেও আফগানরা ঠিকই সেগুলো সংস্কার ও মেরামত করে পুনরায় আকাশে ওড়াচ্ছে। সদ্য স্বাধীন হওয়া এই দেশটি প্রযুক্তিতে ক্রিয়েটিভিটি ও উদ্ভাবনি যোগ্যতা দেখাচ্ছে, অপরদিকে বাংলাদেশের বিজ্ঞান-মনস্করা স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসেও হুতুম প্যাঁচার মুখোশ দিয়ে মঙ্গল কামনার বিজ্ঞান চর্চা করছে। বিশ্লেষেকরা বলছেন, বর্তমানে আফগানিস্তানে প্রযুক্তির চর্চা ও উদ্ভাবনের যেই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাতে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন আফগানিস্তান আধুনিক প্রযুক্তি ও সমরাস্ত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিবে।
নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধে সরকারের ব্যর্থ চেষ্টা রূপ নিয়েছে গণআন্দোলনে। এখন পর্যন্ত চলা এই আন্দোলনে নিহত হয়েছেন ৫১জন। এছাড়াও কারাগার থেকে পলাতক ১২ হাজার ৫শ’ কয়েদির এখন পর্যন্ত কোন খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) পুলিশ মুখপাত্র বিনোদ ঘিমিরে জানান, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ২১ জন বিক্ষোভকারী, ৯ জন কয়েদি, ৩ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ১৮ জন অন্যান্য ব্যক্তি। আরও প্রায় ১,৩০০ জন আহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছিলেন। এই ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়, যখন দেশজুড়ে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল এবং সেনাপ্রধান আশোক রাজ সিগদেল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকির এবং এক তরুণ নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। ঘিমিরে আরও বলেন, ‘দেশব্যাপী বিভিন্ন কারাগার থেকে প্রায় ১৩,৫০০ বন্দি পালিয়ে যায় — এদের মধ্যে কিছু আবার ধরা পড়েছে, তবে এখনও ১২,৫৩৩ জন পলাতক রয়েছে। নিহত বন্দিদের মধ্যে অনেকে পালানোর সময় বা পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন। এছাড়া, অনেক পলাতক বন্দি ভারত সীমান্ত পাড়ি দেয়ার চেষ্টা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছুজনকে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী আটক করেছে। নেপালের সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে কারফিউ জারি করেছে এবং জানায় যে অস্থিরতার মধ্যে লুট হয়ে যাওয়া ১০০টির বেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ স্বয়ংক্রিয় রাইফেলও বহন করছিলেন বলে দেখা গেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে সুশীলা কারকিকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ, যিনি প্রেসিডেন্ট পৌডেল ও সেনাপ্রধান সিগদেলের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন, বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ‘সুশীলা কারকিকে আজই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে। জেনারেশন জেন-জি বিক্ষোভকারীরা তাকে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রস্তাব করেছে।’ সূত্র: আল জাজিরা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে জনবল বাড়িয়ে ভোট গ্রহণ শেষে আজকের মধ্যেই ফল ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে ম্যানুয়ালি পদ্ধতিতেই (হাতে ভোট গণনা) চলবে গণনার বাকি কার্যক্রম। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনার ও উপাচার্যের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনিরুজ্জামান। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন হচ্ছে, সকলের অক্লান্ত পরিশ্রম ইতিহাস হয়ে থাকবে। যারা নির্বাচন থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেছেন, তাদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এদিকে, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ নিয়ে শিক্ষার্থী ও পদপ্রার্থীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোট গণনা শেষ হয়নি। ১৮ ঘণ্টায় জাকসুর হল সংসদের ১৮টি হলের ফল গণনা শেষ করতে সক্ষম হয় প্রশাসন। তবে এখন বাকি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের গণনা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিকেলে নির্বাচন কমিশনের কাছে এক রিটার্নিং কর্মকর্তা মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনার দাবি করেন। এর আগে, বিকেলে জাকসু নির্বাচনের ভোট গণনা কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ওএমআর নাকি ম্যানুয়াল, কোন পদ্ধতিতে ভোট গণনা হবে তা নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওএমআর পদ্ধতিতে গণনার কথা থাকলেও ছাত্রদলসহ কয়েকটি প্যানেলের আপত্তিতে তা ম্যানুয়ালি করা হয়। এ কারণে নির্বাচনের প্রায় ২০ ঘণ্টা পার হলেও হল সংসদের ভোট গণনা শেষ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।
লেভেল-০১, দোকান নং:০৯, গোল্ডেন শাওয়ার, মাজার রোড, মিরপুর-০১, ঢাকা-১২১৬
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: ই-মেইল:
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ: মোবাইল
Development By CrebiTel Technology Ltd.